বয়স ৭৫ বছর। তবু পর্দায় অ্যাকশন দৃশ্যে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের নজর কাড়ে। বয়স বাড়লেও শারীরচর্চার অভ্যাসে যে ঢিলেমি দিতে নারাজ রজনীকান্ত, তারই আভাস দিলেন ‘জেলার ২’-এর অভিনেত্রী মির্না মেনন। তাঁর কথায়, শুটিংয়ের জায়গায় জিমের ব্যবস্থা না থাকলেও নিজের শারীরচর্চার রুটিন বজায় রাখার ব্যবস্থা করে নিতেন দক্ষিণী সুপারস্টার। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁর এই নিয়মিত অভ্যাস শিক্ষণীয়।
‘জেলার ২’-এর শুটিংয়ের সময়ে রজনীকান্তকে কাছ থেকে দেখেছেন মির্না। অভিনেত্রীর কথায় জানা যায়, ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম সেরে তবেই শুটিংয়ে আসতেন তিনি। তাঁর নিয়মিত ব্যায়ামের মধ্যে রয়েছে সাঁতার কাটা এবং ট্রেডমিলে হাঁটা বা দৌড়োনো। শুটিংয়ের জন্য এমন অনেক জায়গায় যেতে হয়েছে, যেখানে জিমের কোনও বন্দোবস্ত ছিল না। কিন্তু তাতেও অনুশীলন বন্ধ রাখেননি রজনীকান্ত। ব্যায়ামের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিজের ঘরে রাখার ব্যবস্থা করে নিয়েছিলেন।
মির্না জানিয়েছেন, তিনি নিজেও শুটিংয়ের সময় শারীরচর্চার জন্য সময় বার করতেন। ঢালু ট্রেডমিলে হাঁটা কিংবা সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ছোট ডাম্বেল দিয়ে ব্যায়াম করতেন তিনি। হাঁটতে বেরিয়ে অনেক সময়ে রজনীকান্তকে শারীরচর্চা করতে দেখেছেন অভিনেত্রী।
রজনীকান্তের রুটিনের দু’টি উল্লেখযোগ্য অংশ হল সাঁতার এবং ট্রেডমিলে হাঁটা বা দৌড়োনো। সাঁতার শরীরের বিভিন্ন পেশিকে কাজে লাগায় এবং হৃদ্যন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। জলের মধ্যে শরীরের উপর চাপ তুলনামূলক কম পড়ায় অনেকের ক্ষেত্রে এটি সুবিধাজনক ব্যায়াম হতে পারে। অন্য দিকে, ট্রেডমিলে হাঁটা বা দৌড়োনো দেহের সহনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুধু হাঁটা বা সাঁতার নয়, পেশির শক্তি বজায় রাখার জন্য উপযুক্ত শক্তিবর্ধক ব্যায়ামও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত শারীরচর্চা চলাফেরার ক্ষমতা ও রোজের কাজ করার সামর্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে বয়স, শারীরিক সক্ষমতা ও অসুস্থতার ইতিহাস অনুযায়ী ব্যায়ামের ধরন ঠিক করা জরুরি।
মির্নার বক্তব্য অনুযায়ী, রজনীকান্তের খাদ্যাভ্যাসও বেশ নিয়ন্ত্রিত। তিনি ঘরোয়া সাদামাঠা খাবার পছন্দ করেন। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলেন বলে শুটিংয়ের সহকর্মীদের কাছ থেকে শুনেছেন অভিনেত্রী। দুধ, দই, সাদা ভাত ও চিনির মতো কিছু খাবারও খান না।
রজনীকান্তের রুটিন থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হল, শারীরচর্চার জন্য সব সময় আধুনিক জিমের প্রয়োজন হয় না। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যায়ামের বিকল্প খুঁজে নেওয়া এবং নিয়মিত শরীরকে সচল রাখাই গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার, শরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যায়াম এবং বিশ্রাম— সব মিলিয়েই সুস্থ ভাবে বয়স বাড়ানোর অভ্যাস তৈরি হয়।
‘জেলার ২’-এর শুটিংয়ের সময়ে রজনীকান্তকে কাছ থেকে দেখেছেন মির্না। অভিনেত্রীর কথায় জানা যায়, ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম সেরে তবেই শুটিংয়ে আসতেন তিনি। তাঁর নিয়মিত ব্যায়ামের মধ্যে রয়েছে সাঁতার কাটা এবং ট্রেডমিলে হাঁটা বা দৌড়োনো। শুটিংয়ের জন্য এমন অনেক জায়গায় যেতে হয়েছে, যেখানে জিমের কোনও বন্দোবস্ত ছিল না। কিন্তু তাতেও অনুশীলন বন্ধ রাখেননি রজনীকান্ত। ব্যায়ামের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিজের ঘরে রাখার ব্যবস্থা করে নিয়েছিলেন।
মির্না জানিয়েছেন, তিনি নিজেও শুটিংয়ের সময় শারীরচর্চার জন্য সময় বার করতেন। ঢালু ট্রেডমিলে হাঁটা কিংবা সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ছোট ডাম্বেল দিয়ে ব্যায়াম করতেন তিনি। হাঁটতে বেরিয়ে অনেক সময়ে রজনীকান্তকে শারীরচর্চা করতে দেখেছেন অভিনেত্রী।
রজনীকান্তের রুটিনের দু’টি উল্লেখযোগ্য অংশ হল সাঁতার এবং ট্রেডমিলে হাঁটা বা দৌড়োনো। সাঁতার শরীরের বিভিন্ন পেশিকে কাজে লাগায় এবং হৃদ্যন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। জলের মধ্যে শরীরের উপর চাপ তুলনামূলক কম পড়ায় অনেকের ক্ষেত্রে এটি সুবিধাজনক ব্যায়াম হতে পারে। অন্য দিকে, ট্রেডমিলে হাঁটা বা দৌড়োনো দেহের সহনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুধু হাঁটা বা সাঁতার নয়, পেশির শক্তি বজায় রাখার জন্য উপযুক্ত শক্তিবর্ধক ব্যায়ামও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত শারীরচর্চা চলাফেরার ক্ষমতা ও রোজের কাজ করার সামর্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে বয়স, শারীরিক সক্ষমতা ও অসুস্থতার ইতিহাস অনুযায়ী ব্যায়ামের ধরন ঠিক করা জরুরি।
মির্নার বক্তব্য অনুযায়ী, রজনীকান্তের খাদ্যাভ্যাসও বেশ নিয়ন্ত্রিত। তিনি ঘরোয়া সাদামাঠা খাবার পছন্দ করেন। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলেন বলে শুটিংয়ের সহকর্মীদের কাছ থেকে শুনেছেন অভিনেত্রী। দুধ, দই, সাদা ভাত ও চিনির মতো কিছু খাবারও খান না।
রজনীকান্তের রুটিন থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হল, শারীরচর্চার জন্য সব সময় আধুনিক জিমের প্রয়োজন হয় না। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যায়ামের বিকল্প খুঁজে নেওয়া এবং নিয়মিত শরীরকে সচল রাখাই গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার, শরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যায়াম এবং বিশ্রাম— সব মিলিয়েই সুস্থ ভাবে বয়স বাড়ানোর অভ্যাস তৈরি হয়।
স্বাস্থ্য ডেস্ক: